বিজ্ঞাপন Walton Refrigerator Freezer Offer
পত্রিকার পাতা
ঢাকাসোমবার , ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. উদ্যোক্তা
  5. কর্পোরেট
  6. কৃষি ও প্রকৃতি
  7. ক্যাম্পাস-ক্যারিয়ার
  8. খেলাধুলা
  9. চাকরির খবর
  10. জাতীয়
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. তারুণ্য
  13. ধর্ম
  14. পর্যটন
  15. প্রবাস

৮ হাজার টাকায় উদ্যোক্তা দিবারের যাত্রা

Main Admin
ডিসেম্বর ২৭, ২০২৫ ১১:০৪ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

বিবিএ শেষ করে অস্থায়ী চাকরি নিয়েছিলেন সাবেকুন নাহার দিবা। যেহেতু বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে বিবিএ, এমবিএ করেছেন সেজন্য পড়াশোনার খরচ নিজে কিছুটা বহন করার জন্য পড়াশোনার পাশাপাশি চাকরি করতেন। সিটি ব্যাংক-এর কাস্টমার সার্ভিসের গুলশান অফিসে ৩ বছর চাকরি করেছেন।এমবিএ শেষ হলে পারিবারিক ভাবে বিয়ে হয় দিবার। স্বামীর পোস্টিং ছিলো যশোর-এ। যার জন্য বিয়ের ৬ মাসের মাথায় চাকরি ছাড়তে হয়। চাকরি ছাড়ার পর অনেক বাধা আসে তার সামনে। তখন থেকেই উদ্যোক্তা হওয়ার ভাবনাটা মাথায় আসে।

দিবা উদ্যোক্তা হয়েছেন কিছুটা প্রয়োজনে আবার কিছুটা নিজেকে ব্যস্ত রাখতে। যেহেতু তিনি চাকরি করতেন সেহেতু ঘরে বসে থাকতে ভালো লাগতো না। আর ছোটবেলা থেকে তার নিজের একটা পরিচয় তৈরি করার অদম্য ইচ্ছা ছিল। উদ্যোগ গ্রহণের ক্ষেত্রে তার স্বামীর অনুপ্রেরণা ছিলো সবচেয়ে বেশি। মাত্র ৮০০০ টাকা পুঁজি নিয়ে প্রথম ব্যবসা শুরু করেন। যার পুরাটাই তার স্বামী দিয়েছিল।দেশীয় সকল কাপড়, নকশীকাঁথা, বিছানার চাদর, ব্লক, বাটিক এবং সুন্দরবনের খলিশা ফুলের মধু নিয়ে কাজ করছেন দিবা। বাটিকটা তিনি নিজ হাতে করেন। কাঁচামালের প্রাপ্তি, ভালো সোর্সিং সবকিছু মিলিয়ে এই পন্যগুলো নিয়ে কাজ করা। তবে নকশিকাঁথা এবং ব্লক বাটিক তার সিগনেচার পণ্য। তার কর্মী আছে ১ জন। যে বাটিকের কাজে তাকে হেল্প করে। এখনো পর্যন্ত তার কোনো দোকান বা ফ্যাক্টরি নেই। পুরো ব্যবসাটা সম্পূর্ণ অনলাইন ভিত্তিক। অনলাইনে ‘গ্যালারিয়া দি দিবা’ নামে তার একটা গ্রুপ এবং একটা পেইজ আছে।

যশোর, খুলনা, ঢাকা, কক্সবাজার, বাগেরহাট, চুয়াডাঙ্গা, চৌগাছা, ঝিনাইদহ, বেনাপোল, সৈয়দপুর, বরিশাল, কুষ্টিয়া, নারায়ণগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় তার পণ্য যায়। বিদেশে রপ্তানি বলতে তার স্বামীর বড় ভাই আমেরিকায় থাকেন। তারা যখন আসে তখন তার কাছ থেকে অনেক পণ্য নিয়ে যায়। এছাড়া অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ইংল্যান্ড সহ অনেক জায়গা থেকে তার পন্যের অর্ডার করেছে বাংলাদেশে তাদের আত্মীয়দের কাছে দেওয়ার জন্য। বর্তমানে মাসে ৩০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকার পন্য বিক্রি করছেন।

ভবিষ্যতে নিজের একটা শোরুম খোলার ইচ্ছা আছে তার। পাশাপাশি গ্রামের মহিলাদের নিয়ে কাজ করতে চান। নকশীকাঁথা বিক্রি করার মাধ্যমে তিনি গ্রামের নারীদের খুব কাছ থেকে দেখেছেন। তিনি চান তার নকশীকাঁথা বিদেশে রপ্তানি হোক যার মাধ্যমে গ্রামের মহিলাদের আরও বেশি আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হোক।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।