বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম,
আসসালামু আলাইকুম।সবাই কেমন আছেন। আশা করি সবাই ভালো আছেন। আমি আজকে একটি আমার জীবনের উদ্যোক্তার গল্প বলবো। আর এই গল্পটি হচ্ছে যেটি আমি কখনো ভাবি নি যে বাস্তবতা পাবো।আর আজকে আমি এই জায়গায় পৌঁছাবো। আর এই জায়গায় আসার পেছনে অনুপ্রেরণা দিয়েছে একমাত্র আমার শাশুড়ি যিনি আজ এই দুনিয়াতে বেঁচে নেই। আজকে হয়তো তিনি বেঁচে থাকলে অনেক খুশি হতেন। মানুষ বলে শাশুড়িরা নাকি ছেলের বউদের দেখতে পারেনা আমি বলি মানুষের এটা ভুল ধারণা সব শাশুড়িরা এক হয় না। আমার এই উদ্যোক্তা হওয়ার পেছনে আমার শাশুড়ি আমাকে অনেক সাপোর্ট করেছে যার কারণে আমি আগে বাড়তে পেরেছি। ছোটবেলা থেকে আমার অনেক ইচ্ছে ছিল আমি বড় হয়ে একজন মেকআপ আর্টিস্ট হব। আমি নিজেই সাজ সজ্জা পছন্দ করি। এবং অন্যকেও সাজ সজ্জা করাতে পছন্দ করি। ছোটবেলা থেকেই আমার আগ্রহ ছিল অন্যকে সাজানোর। তারপর এক সময় আমার বিয়ে হয়ে যায়। শশুর বাড়িতে আসার পর অনেকেই আসতো আমার কাছে সাজতে বলতো ভাবি আমাকে একটু সাজিয়ে দাও ।তখন আমার শাশুড়ি বলতো তুমি একটা পার্লার দাও।আমার শাশুড়ি আমাকে অনেক উৎসাহিত করত কিন্তু আমার হাজব্যান্ড এবং আমার শ্বশুরবাড়ি কেউ এই পার্লারের কাজ পছন্দ করত না। তাদের কাছে মনে হতো যে এটা তেমন একটা ভালো কাজ না। আশে পাশের মানুষ কি বলবে ভালো বলবে না খারাপ বলবে কারোই তখন মতামত ছিল না এই পার্লারের কাজটা করি আমি। কিন্তু আমি আস্তে আস্তে ঘরেই অল্প অল্প করে কাজ শুরু করি ও আগে বাড়ি। যখন থেকে আমি এই কাজটা শুরু করি। তখন বাসার সবাই দেখে যে এটার মধ্যে তো কোন খারাপ কিছু দেখছি না। এখানে তো সুন্দর করে মেয়েদের সাজিয়ে দেওয়া হয়। মেয়েদের যে কোনো প্রোগ্রামে অনুষ্ঠানে, বিয়ের অনুষ্ঠানে,এখানে মেয়েদের সাজানো হয়। ঘরে বসে কাজ করলে এটাতো আরো ভালো। তারপর থেকে আমার হাজব্যান্ড এবং আমার ফ্যামিলির পরিবারের সবাই আমাকে অনেক সাপোর্ট করে আলহামদুলিল্লাহ এখন আমি অনেক ভালো আছি। একজন নারী উদ্যোক্তা হিসেবে আমি বলতে চাই। প্রতিটা মেয়ের যেকোনো কাজ জানা থাকলে আপনারা ঘরে বসে না থেকে সামনের দিকে এগিয়ে যান সফলতা আসবেই ইনশাল্লাহ। এমনি এমনি সফলতা আসে না। অনেক শ্রম ও পরিশ্রমের মাধ্যমে সফলতা অর্জন করে নিতে হয় । আপনাদের সফলতা আসবে ইনশাল্লাহ।
পেইজের নাম :মুন এঞ্জেল মেকঅভার
নাম : মুন আক্তার অমি
ঠিকানা :কেরানীগঞ্জ জিনঞ্জিরা ঢাকা
মোবাইল :০১৭২৮৭৯৩৭০৮

