নিজস্ব প্রতিবেদক: তামান্না তাবাসসুম মুন, এক চঞ্চল স্বভাবের মেয়ে, যার জীবনের গল্প অনেকের জন্য অনুপ্রেরণা। স্কুল জীবন শেষ করে নার্সিং ডিপ্লোমা শুরু করলেও ব্যক্তিজীবনের নানা প্রতিকূলতার কারণে পড়াশোনা অব্যাহত রাখতে পারেননি।
তামান্না জানান, “মায়ের অসুস্থতা, তারপর শশুরবাড়ির নিষেধাজ্ঞার কারণে পড়াশোনা চালানো সম্ভব হয়নি। একসময় আমি ডিপ্রেশনে চলে গিয়েছিলাম, ঘর থেকে বের হতাম না।”
তবে তার জীবনে নতুন আশার আলো আসে দূরভাষা বা অনলাইন গ্রুপ ‘দিনাজপুরে উদ্যোক্তা বর্গ’ দেখে। সেখানে অনেকে নারী উদ্যোক্তা হিসেবে কাজ করছে। অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি কেক বানানো শিখতে শুরু করেন। মাত্র ২–৩ মাসের মধ্যে তিনি নিজের ব্যবসা শুরু করেন, এবং খোলেন নিজের ফেসবুক পেজ “তামান্নার কিচেন”, যাতে মানুষ তার নাম চিনতে পারে।
তামান্না বললেন, “শুরুতে মাত্র ৫০০০ টাকা দিয়ে সিঙ্গার শোরুম থেকে একটি ওভেন কিনি। আত্মীয়-স্বজনকে কেক খাওয়াই। ২ মাস পর প্রথম অর্ডার আসে, তারপর আলহামদুলিল্লাহ ক্রমেই অর্ডার বৃদ্ধি পেতে থাকে।”
বর্তমানে তামান্না একজন প্রশিক্ষক (Trainer)। তার মাধ্যমে প্রায় ১০০–১৫০ জন নারী উদ্যোক্তা তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, “শুরুতে কেউ আমাকে সাপোর্ট করেনি। এখন যখন কেকের ব্যবসা ভালো সেল পাচ্ছে, আমার স্বামী প্রথমে পাশে এসে আমাকে সহযোগিতা করছেন।”
আজ তামান্নার ফুড ক্যাটারিং ব্যবসা রয়েছে। পাশাপাশি কেক, ফাস্টফুড এবং ডেজার্ট আইটেমের ব্যবসা সফলভাবে চলছে। তার সঙ্গে বর্তমানে ৬ জন সহকারী (Helping Hand) কাজ করছেন।
তামান্নার গল্প প্রমাণ করে, ব্যক্তি

