নারায়নগঞ্জ বন্দরের মালিভিটা এলাকায় চুরি হওয়া স্বর্নের গহনা উদ্ধার করতে থানায় অভিযোগ। অভিযোগ সূত্রমতে, মালিভিটা এলাকার প্রবাসী আলমগীর হোসেনের স্ত্রী নাজমা বাদী হয়ে নিম্নোক্ত বিবাদীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। বিবাদী মোসঃ নীলুফা, স্বামী -মৃত দেলোয়ার, মোসাঃ আরিফা, স্বামী সুলতান, মোঃ সজল, পিতা-মৃত দেলোয়ার, মোঃ সফুর উদ্দিন মেম্বার (৪৮) পিতা- মৃত শমসের আলী, সর্ব সাং-মালিভিটা, থানা- বন্দর, জেলা- নারায়ণগঞ্জ সহ অজ্ঞাত আরো ২/৩ জন। নাজমা আক্তারের অভিযোগ, স্বামী দুবাই প্রবাসী তাই সন্তানদের নিয়ে দেশের বাড়িতেই বসবাস করছেন। গত ২৩-০৭-২৪ ইং আমার মা মারা যান। ২৪-০৭-২৪ইং রাত অনুমান ০৯.০০ ঘটিকার সময় বন্দর থানাধীন মালিভিটা সাকিনস্থ বাড়িতে মায়ের মৃত্যু শোকে কান্নাকাটি করে জ্ঞান হারিয়ে ফেলি। খবর পেয়ে বিবাদীগন সহ আশেপাশের লোকজন আমার বাড়িতে আসে। পরের দিন গত ২৫-০৭-২৪ ইং সকাল অনুমান ১০.০০ ঘটিকার সময় আমি কিছুটা সুস্থ হয়ে ঘর গোছানোর সময় লক্ষ্য করি যে আমার আলমারি ও সোফাসেটের ভেতরে থাকা গহনার বাক্স হইতে সর্বমোট ১৫ ভড়ি স্বর্নের গহনা ৪ ভড়ি রুপার গহনা চুরি হয়েছে । যাহা স্বর্নের গহনার মূল্য আনুমানিক ১৬,৫০,০০০/(ষোল লক্ষ পঞ্চাশ) হাজার টাকা এবং রুপার মূল্য আনুমানিক ৬০০০/(ছয় হাজার) টাকা। যাহার স্বর্ন ও রুপার সর্বমোট মূল্য ১৬,৫৬,০০০/(ষোল লক্ষ ছাপ্পান্ন) হাজার টাকা।
পরবর্তীতে খোঁজ নিয়ে জানা যায় উক্ত বিবাদীগন ২৪-০৭-২৪ ইং তারিখ রাতে আমাদের ঘরে প্রবেশ করিয়া চুরির ঘটনা সংগঠিত করে। ২৫-০৭-২৪ইং তারিখ বিকাল আনুমানিক ০৫-১০ ঘটিকার সময় আমার আত্বীয় স্বজন ও এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিদের নিয়ে ধামগড় ইউনিয়ন ৪নং ওয়ার্ড মেম্বার শফরউদ্দিন কে জানাই। শফুর উদ্দিন মেম্বার সহ এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিদের নিয়ে বিবাদীদের ডেকে নিয়ে জিজ্ঞেস করলে তারা স্বর্ন ও রুপার গহনা চুরি করেছে বলে স্বীকার করে। এবং মেম্বারের মাধ্যমে আমার সকল গহনা ফিরিয়ে দিবে বলে জানায়। কিন্তু এরপর হইতে বিবাদীগন আমার স্বর্ন ও রুপার গহনা না দিয়ে আমাকে সহ পরিবারের সদস্যদের বিভিন্নভাবে হুমকি ধামকি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে মারধর করতে আসে। ১২-০৮-২৪ইং আবারও গহনা চাইতে গেলে আমাকে সহ পরিবারের সকলকে মিথ্যা মামলা সহ খুন ঘুম করিয়া ফেলিবে বলে হুমকি দেয়। পরে আইনের সহযোগিতা চেয়ে আমি বন্দর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করি। অভিযোগ করার পর ধামগড় ইউপি ৪নং ওয়ার্ড শফিউদ্দিন বিবাদীদের নিকট থেকে স্বর্ন ও রুপার গহনা উদ্ধার করে দিবে বলে তিন লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করে। তাতে আমি কোন উপায় না পেয়ে মেম্বারকে টাকা দিতে রাজি হই। এবং মেম্বারকে বলি আগে গহনা উদ্ধার করে দিন পরে টাকা দিবো। তাতে মেম্বার ক্ষিপ্ত হয়ে আমার গহনা উদ্ধার না করে উল্টো বিবাদীদের পক্ষে কাজ করে। সেই সাথে নারায়ণগঞ্জ আদালতে আমাদের নামে হুমকি ও ভয় ভীতি পূর্বক মিথ্যা মামলা করে আমাদের হয়রানি করে। বর্তমানে আমরা আদালত থেকে জামিনে আছি। এমতাবস্থায় কোথাও কারো কাছে কোন সহযোগিতা না পেয়ে এবং কোন উপায়ান্তর না দেখে ১০-১১-২৪ইং রবিবার রাত ৮.০০ঘটকার সময় বন্দর থানা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা চেয়ে অভিযোগ করি। যেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মাধ্যমে আমার চুরি হওয়া গহনা উদ্ধার হয়। কারন এই গহনাই আমার স্বামীর প্রবাস জীবনের আয় ও সন্তানদের একমাত্র ভবিষ্যৎ সম্বল।
এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।


